‘সহিংসতার প্ররোচনা’ দিচ্ছেন পলাতক তারেক রহমান


July 28, 2023 at 06:32AM
from somoynews.tv | RSS Feed

তারেক রহমানের রাজপথে দেশের ভাগ্য নির্ধারণের আহ্বানকে ‘সহিংসতার প্ররোচনা’ বলে দাবি করেছেন অধিকারকর্মী ও সংখ্যালঘু নেতারা। মানি লন্ডারিং এবং শেখ হাসিনার ওপর ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাসহ একাধিক মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক ব্যক্তির এ ধরণের বক্তব্য নতুন করে সহিংসতা উসকে দেয়ার কৌশল বলে মন্তব্য তাদের।

আদালতের রায়ে সাজাপ্রাপ্ত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবিসহ বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে শেয়ার করা একটি পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘দেশের ভাগ্যের সিদ্ধান্ত হবে রাজপথে।’


একজন দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক ব্যক্তির এ ধরনের কথা বলা রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল বলে মন্তব্য করেছেন মানবাধিকার কর্মীরা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী এবং সরকারি কর্মচারীদের নির্দেশনামূলক কোনো কথাও তিনি বলতে পারেন না বলে জানান মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মিজানুর রহমান।

 

বিচার এড়াতে তারেক রহমান লন্ডনে পলাতক জীবন কাটাচ্ছেন জানিয়ে মিজানুর রহমান বলেন, ‘একটি বন্ধুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক দেশের মাটিকে এ ধরনের বেআইনি কাজের জন্য ব্যবহার করতে দেয়া যাবে না।’ তিনি ব্রিটিশ সরকারের কাছে বিষয়টি তুলে ধরার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

 

আরও পড়ুন: তারেক-জোবায়দার বিরুদ্ধে দুদকের মামলার রায় ২ আগস্ট


সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতা বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী রানা দাশগুপ্ত উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারেক রহমানে উক্তিতে। ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে, রাজপথে সহিংসতা এবং সারাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘২০১৩ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত শতাধিক পরিবারকে আক্রমণ করা হয়েছিল, সম্পত্তি লুট করা হয়েছিল এবং উপাসনালয়গুলো পুড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। ফলে অনেকের মৃত্যু হয়েছিল এবং সম্পত্তি ও জীবিকা ধ্বংস হয়েছিল।


অতীতে বিএনপির সহিংস হামলার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানের এই হুমকি বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের জন্য উদ্বেগজনক।’


২০০৮ সালে রাজনীতি ছেড়ে দেয়ার মুচলেকা দিয়ে দেশ ছেড়েছিলেন তারেক রহমান। প্যারোলে মুক্ত হয়ে লন্ডন গিয়ে আর ফিরে আসেননি দেশে। সেখানে পলাতক থাকা অবস্থায় তাকে নেতা বানানোর জন্য নিজেদের গঠনতন্ত্রের ৭- এর ‘ক’ ধারা সংশোধন করে বিএনপি। ওই ধারায় বলা ছিল কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি দলের নেতা হতে পারবেন না।

 

আরও পড়ুন: তারেকের সঙ্গেও বৈঠক হয়েছে, জানালেন সাফাদি


২০০৮ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকার মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেমস এফ মরিয়ার্টি তারেক রহমানকে ভয়ঙ্কর রাজনীতিক এবং দুর্নীতি ও চুরির মানসিকতা সম্পন্ন রাজনীতির প্রতীক উল্লেখ করে বার্তা পাঠিয়েছিলেন। বার্তায় তারেকের যুক্তরাষ্ট্র প্রবেশের নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ করা হয়। সাড়া জাগানো ওয়েবসাইট উইকিলিকসের ফাঁস করা গোপন নথি থেকে পাওয়া যায় এ তথ্য।

]]>
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url