ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে শান্তি আলোচনা শুরু কবে, জানা গেল


May 09, 2023 at 07:06AM
from somoynews.tv | RSS Feed

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে শান্তি আলোচনা শুরু হতে পারে ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ। এই শান্তি আলোচনায় দূতিয়ালি করবে চীন। এমনটাই মন্তব্য করেছেন সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার।

মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিবিএস নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে কিসিঞ্জার বলেন, ‘এখন চীন এই আলোচনায় প্রবেশ করেছে। আমার মতে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ এটা একটা চূড়ান্ত পরিণতিতে পৌঁছাবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এবং সেই সময়েই কেবল আমরা একটি প্রকৃত আলোচনার কথা ভাবতে পারব।’

 

আরও পড়ুন: জাদুঘরের ট্যাংক যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠাচ্ছে রাশিয়া!

 

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রথম বার্ষিকীতে ‘ইউক্রেন সংকটের রাজনৈতিক নিষ্পত্তির অবস্থানপত্র’ প্রকাশ করে চীন। এতে যুদ্ধ অবসানে ১২ দফা শান্তি প্রস্তাব করা হয়। যা দেশটিকে মস্কো ও কিয়েভের মধ্যে একটি সম্ভাব্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে হাজির করে। তবে চীনা পরিকল্পনা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

 

কিন্তু রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন চীন প্রস্তাবিত ১২ দফার কয়েকটিকে মস্কোর অবস্থানের সঙ্গে ‘সঙ্গতিপূর্ণ’ বলে আখ্যা দেন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কিও কয়েকটি দফাকে মেনে নেন।  

 

আরও পড়ুন: ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে শান্তি আলোচনার এখনই সময়: হেনরি কিসিঞ্জার

 

এর আগে গত ডিসেম্বরে লন্ডনভিত্তিক সাময়িকী দ্য স্পেক্টেটরে প্রকাশিত এক নিবন্ধে আরেকটি বিশ্বযুদ্ধের ঝুঁকি এড়াতে ইউক্রেন নিয়ে শান্তি আলোচনার আহ্বান জানান হেনরি কিসিঞ্জার। সে সময় বর্ষীয়ান এই কূটনীতিক লেখেন, যেসব কৌশলগত পরিবর্তন এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে, সেগুলোর আরও শক্ত ভিত গড়ে তোলার এবং আলোচনার মাধ্যমে শান্তি অর্জনের লক্ষ্যে তাদের একটি নতুন কাঠামোতে সংহত করার সময় হয়ে আসছে।

 

৯৯ বছর বয়সী যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, আরেকটি বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে এখনই ইউক্রেনে শান্তি ফেরানোর আলোচনা শুরু করা উচিত। তিনি বলেন, রাশিয়াকে নির্বিষ বা ভাঙার স্বপ্ন পারমাণবিক বিশৃঙ্খলার জন্ম দিতে পারে।

 

আরও পড়ুন: চীন-রাশিয়ার সঙ্গে ‘যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে’ যুক্তরাষ্ট্র: কিসিঞ্জার

 

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন ও জেরাল্ড ফোর্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন হেনরি কিসিঞ্জার। স্নায়ুযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র যে কৌশলে সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে বৈরিতা কমিয়েছিল, তার অন্যতম কারিগর ছিলেন তিনি। ২০০০ সালে ভ্লাদিমির পুতিন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর বেশ কয়েক দফায় তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন হেনরি কিসিঞ্জার।

]]>
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url