যুবলীগ-ছাত্রলীগ নেতা হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র-গুলি উদ্ধার


May 07, 2023 at 10:02AM
from somoynews.tv | RSS Feed

লক্ষ্মীপুরে যুবলীগ নেতা আবদুল্লাহ আল নোমান ও ছাত্রলীগ নেতা রাকিব ইমাম হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৫ মে) রাতে লক্ষ্মীপুরে চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন রশিদপুরে আসামি নিশানের বাড়ির পাশে থেকে একটি দুনলা ও একটি একনলা বন্দুক এবং ৫টি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।


শনিবার (৬ মে) বিকেলে নিজ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার মো. মাহফুজ্জামান আশরাফ।


এসপি জানান, জোড়া খুনের মামলার ৫ আসামি বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছেন। এরমধ্যে আসামি মশিউর রহমান নিশান ৫ দিনের ও আজিজুল ইসলাম বাবলু ৩ দিন রিমান্ডে রয়েছেন।


এ দিকে আসামি বাবলুকে নিয়ে ৪ মে রাতে অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে বের হয় পুলিশ। তার তথ্যমতে হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থলের অদূরে মাঠের পাশে কলাবাগান থেকে কলাপাতা মোড়ানো একটি দুনলা দেশীয় বন্দুক ও ৪ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় দত্তপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক বেলায়েত হোসেন বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে চন্দ্রগঞ্জ থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেন।


আরও পড়ুন: সাবেক যুবলীগ নেতাসহ দুজনকে গুলি করে হত্যা, ক্ষোভ ও আতঙ্ক


এ দিকে রিমান্ড চলার সময় কৌশলে আসামি নিশানের কাছ থেকে অস্ত্রের সন্ধান নেয়া হয়। ৫ মে রাতে আসামি নিশান ও রুবেল দেওয়ানকে নিয়ে অভিযানে বের হয় পুলিশ। নিশানের বাড়ির পাশে একটি লাকড়ির ঘর থেকে একটি একনলা বন্দুক ও একটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।


পুলিশ সুপার আরও জানান, আদালতে জবানবন্দিতে মামলার ৩ নম্বর আসামি দেওয়ান ফয়সাল ও ১৮ নাম্বার আসামি আলমগীর ওরফে কদু আলমগীর হত্যাকাণ্ডে অন্যান্য অস্ত্রের সঙ্গে দেশীয় কিছু বন্দুক ব্যবহারে কথা উল্লেখ করেছেন।


এসপি জানান, ৮টি দলে ৩৫-৪০ জন এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছিলেন। যিনি তাদের অস্ত্র দিয়েছেন জবানবন্দিতে দেওয়ান ফয়সাল ও আলমগীর তার নাম বলেছেন। এ ছাড়া অনেকের কাছেই দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্র থাকার কথা তারা পুলিশকে জানিয়েছেন।


আরও পড়ুন: কুমিল্লায় অস্ত্রসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার


প্রেস বিফ্রিং-এ পুলিশ সুপার মাহফুজ্জামান আশরাফ বলেন, আমরা অস্ত্র উদ্ধারে নেমেছি। সবগুলো অস্ত্রই আমরা উদ্ধার করবো। এক এক করে টার্গেট করছি। এতে আমাদের বিভিন্ন সংস্থাও কাজ করছে। তদন্তের স্বার্থে অনেক কিছু গোপন রাখা হয়েছে।


জবানবন্দিতে কদু আলমগীর বলেছেন, তার হাতে পিস্তল ছিল, একজনের হাতে বন্দুক ছিল। তারা যাওয়ার আগেই নোমান ও রাকিবকে হত্যা করা হয়েছে। সেহেতু তার অস্ত্র ব্যবহার হয়নি। ঘটনায় অনেক অস্ত্র ছিল। এক পার্টি না মারলে আরেক পার্টি মারতো তাদের। যেহেতু এক পার্টি অস্ত্র ব্যবহার করে ফেলেছে, সেহেতু অন্য পার্টির প্রয়োজন হয়নি। তবে সব অস্ত্রই ব্যবহারের জন্য আনা হয়েছে।

]]>
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url