সুইডেনে শেখ ফজিলাতুন্নেছার জন্মবার্ষিকী পালন


August 09, 2023 at 10:07AM
from somoynews.tv | RSS Feed

যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯৩তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতির পিতার জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৪তম জন্মবার্ষিকী পালন করেছে সুইডেনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস।

৫ আগস্ট শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার পর মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয় ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের প্রতিকৃতিতে। পরে বিকালে দূতাবাস প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এ অনুষ্ঠানে দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির অনেক সদস্য অংশগ্রহণ করেন।


অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়। পাঠ শেষে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রদত্ত বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের কর্মকর্তার। এরপর বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের গৌরবময় জীবনের উপর নির্মিত দুটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।


প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন শেষে উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে আমন্ত্রিত অতিথিগণ বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ত্যাগ ও আদর্শের উপর আলোকপাত করেন। আলোচনায় বক্তারা বলেন, বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছিলেন বাঙালির মুক্তিসংগ্রাম এবং স্বাধিকার আন্দোলনের নেপথ্যের কারিগর। বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতার পর দেশ পুনর্গঠনে জাতির পিতার পাশে থেকে তিনি অসাধারণ ভূমিকা রেখেছেন


একইসাথে বক্তারা বলেন, জাতির পিতার জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল ছিলেন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী ও তারুণ্যের রোল মডেল।


আরও পড়ুন: বিদেশিরা বঙ্গমাতা ও বঙ্গবন্ধু পরিবার হত্যাকারীদের ফিরিয়ে দিচ্ছে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


রাষ্ট্রদূত মেহ্‌দী হাসান তার বক্তব্যের শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল এবং তাদের পরিবারের শহিদ সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য সহধর্মিণী ছিলেন বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পাশে আজীবন অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে ছিলেন। দেশ ও জাতির জন্য বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব অপরিসীম ত্যাগ, সহযোগিতা ও বিচক্ষণতার যে উদাহরণ তৈরি করে গেছেন, তা সকলের জন্য অনুকরণীয় এবং এ জন্য জাতি তাকে ‘বঙ্গমাতা’ উপাধিতে ভূষিত করেছে।


রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, জাতির পিতার জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল ছিলেন বাংলাদেশের আধুনিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের পথিকৃৎ। শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল দেশের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণে অপরিসীম অবদান রেখেছেন এবং তার প্রদর্শিত পথ, আদর্শ ও দিক-নির্দেশনা তরুণদের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।


আরও পড়ুন: ‘স্বাধীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধুর অবদানের উৎসাহ-অনুপ্রেরণা বঙ্গমাতা’


পরিশেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল এবং তাদের পরিবারের শহিদ সদস্যদের রূহের মাগফিরাত কামনা করে এবং বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

]]>
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url