বাঙালির নববর্ষ, সংস্কৃতির বাড়ন্ত প্রতিপক্ষ

April 14, 2023 at 05:19AM
from somoynews.tv | RSS Feed
বাঙালির জীবনে উৎসব-পার্বণের কমতি ছিল না আগেও। অবশ্য বেশির ভাগই ছিল নানা ধর্ম সম্প্রদায়ের আবাহন থেকে। ভাগ্যাহত বাঙালি জীবনের কঠিন সংগ্রামের ফাঁকে উৎসবের আয়োজন করেছে। এরপরও ঈদ, পূজা ইত্যাদি উৎসবগুলো সর্বজনীন সামাজিক উৎসবে পরিণত হয়েছে।
সময়ের পালাবদলে দেশ ভাগ হয়েছে, বাঙালির একাংশকে নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠিত হয়েছে। ১৯৬০ এর দশকে রাষ্ট্রযন্ত্রের রবীন্দ্র বিরোধিতার প্রতিবাদী পথ ধরে নতুন করে বাঙালি শেকড়ের সন্ধানে নেমেছে। ঢাকার রমনা উদ্যানের সংগ্রাম ছোট থেকে বড় হয়েছে। ক্রমান্বয়ে পহেলা বৈশাখ ধর্মবর্ণ মিলে বাঙালির প্রাণের উৎসবে পরিণত হয়েছে। তবে মানতেই হবে, পুরনো দিন বদলে যাচ্ছে, সমাজ ও রাষ্ট্র কাঠামো পর্যন্ত বদলেছে।
প্রথম দিকে শহর-কেন্দ্রিক হলেও ক্রমান্বয়ে পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষের উৎসব গ্রামগঞ্জে ছড়িয়েছে ; ধনাঢ্যের চৌকাঠ পেরিয়ে এর আমেজ মধ্যবিত্ত, এমন কী নিম্নবিত্তের দুয়ারে পৌঁছেছে। নববর্ষের উদ্যাপন এখন বাঙালির সাংস্কৃতিক চেতনার বড় উপলক্ষ। যে বাংলা সন মোগল আমলের কৃষি পণ্যের খাজনা আদায়ে প্রবর্তন করা হয়েছিল, তা আজ পরিবর্তিত রূপে আবির্ভূত হয়েছে। অর্ধ শতাব্দিরও বেশি সময় ধরে বাঙালি নববর্ষকে কেবল নিজ সংস্কৃতির অংশই করে নেয়নি, সময়ের পরতে তা সমাজসংস্কৃতির অঙ্গ হয়েছে। সময়ের যা দাপট, তা যদি না হতো তাহলে বাংলার লোকসংস্কৃতি কিংবা বাংলা ঋতুর কথা বাঙালির নতুন প্রজন্ম ভুলেই যেত !
ক্রমান্বয়ে নানা অনুসঙ্গ এসেছে বাংলা নববর্ষ উদ্যাপনে; যুক্ত হয়েছে জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ডালি, নতুন সংযোজন এসেছে মঙ্গল শোভাযাত্রা। এই শোভাযাত্রায়, অশুভের বিনাশ কামনায়, সত্য ও সুন্দরের প্রার্থনায় শামিল হয়েছেন ধর্ম, বর্ণ, জাতি, লিঙ্গ নির্বিশেষে সব পেশা, সব শ্রেণির মানুষ। নানা রঙের শাড়ি, মুখে আলপনা, বাহারি পাঞ্জাবি, ফুলের বিচিত্র শোভা। এ সবের সঙ্গে তরুণদের হাতে জাতীয় পতাকা দেখে আমাদের সব কষ্ট ভুলিয়ে দেয়। তারুণ্যের এ প্রত্যয় অসাম্প্রদায়িকতা পক্ষে, ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে; এ যেন অন্ধকার থেকে আলোতে এগিয়ে যাওয়া।
আরও পড়ুন: স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় জানিয়ে নববর্ষের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর
রমনার বটমূলে কতিপয় সাহসী বাঙালি সংস্কৃতিসেবীর নেতৃত্বে নবজাগরণের যে ডঙ্কা বেজেছিল একদিন, আজ অর্ধ শতাব্দিরও বেশি সময় পর সে ডঙ্কার দোলা চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। বাঙালির শাশ্বত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য দেশের গণ্ডির বাইরে বেরিয়ে আজ বিশ্বের দুয়ারে পৌঁছেছে। আরও আনন্দের বিষয় যে, বোমা মেরে, ধর্মান্ধতার শিকল পরিয়ে এ উৎসব বন্ধ করা যায়নি। ধর্মীয় অপব্যাখ্যার বর্মেও ঠেকানো যায়নি।
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে - এতেই কী তুষ্ট বাঙালি? সে সুযোগ কি তার আছে? একবারে নেই। কারণ অসাম্প্রদায়িক জাতিসত্তার বিরোধিতা আজও তৎপর, রমনার রেসকোর্সে পরাজিত পাকিস্তান বাহিনী আত্মসমর্পণ করলেও তাদের ফেলে যাওয়া অনুসারীদের ছিটমহলগুলো আজ নতুন করে বেড়েছে, স্বক্রিয় হয়েছে। এরা নতুন আদলে ধর্মীয় উগ্রতার গন্ধে মানুষকে বিভাজিত করে চলেছে। ফলে আক্রান্ত হচ্ছে বাঙালির যাত্রাপথ, বাড়ছে অসহিষ্ণুতা!
১৯৪৭ সালে ধর্মের লেবাসে পাকিস্তান সৃষ্টির পরপরই সেদিনের পূর্ববঙ্গের বাংলাভাষীর মধ্যে ভাষাভিত্তিক জাতীয়তা জেগে ওঠে। সে জাতীয় চেতনা ক্রমান্বয়ে সবল হয়; বাঙালির আত্মপরিচয়ের সঙ্গট ক্রমান্বয়ে কাটতে থাকে, ধর্মীয় রাষ্ট্র বিভাজনের কুফল নিয়ে তারা শঙ্কিত হয়, ফলে পূর্ববঙ্গ বা নতুন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ আত্মপরিচয়ের সন্ধানে নামে। ষাট দশকের শেষার্ধে রমনা বটমূলে ছায়ানটের প্রতিবাদী বর্ষবরণ সেই চেতনাকে বেগবান করে। ক্রমান্বয়ে বঙ্গের লোকজ সংস্কৃতির সঙ্গে আধুনিক নগর জীবনের সেতুবন্ধ ঘটে। ১৯৭১ এর সশস্ত্র-মুক্তিযুদ্ধসহ পালাক্রমিক জনসংগ্রাম সেই জাতীয় উপলব্ধিকে বেগবান করে। নবজাগরনের সে দ্যোতনা ছড়িয়ে পড়ে সংস্কৃতি, সাহিত্য ও শিল্পকলায়; নৃ-তাত্ত্বিক, সামাজিক ও ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্য মিলে পহেলা বৈশাখ প্রাণের উৎসবে পরিণত হয়।
তবে অনুধাবন করা উচিৎ, ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা সত্ত্বেও বাঙালি আমাদের রাষ্ট্রীয় ভূখণ্ডে একক নয়; আছে নানা আদিবাসী, নানা নৃতাত্বিক জনগোষ্ঠী, যাদের নিজস্ব সংস্কৃতি আছে, আছে বৈশাবিসহ সংস্কৃতির নিজস্ব আবাহন। অতএব বাঙালির নববর্ষ তখনই পূর্ণতা পাবে যখন সবার নববর্ষকে আমরা সম্মান জানাতে শিখব।
পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশের জন্ম প্রাসঙ্গিকতায় পহেলা বৈশাখের উদ্যাপন ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে যদিও, কিন্তু এর শতশত আবেদন এপার-ওপারে সমান। বাংলাদেশ, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, আসাম, এমন কি ইউরোপ, আমেরিকাসহ বিশ্বের নানা প্রান্তে ৩০ কোটিরও বেশি বাঙালি আজ পহেলা বৈশাখ উদ্যাপন করে। দুর্ভাগ্য যে, পঞ্জিকার হেরফের ঘটিয়ে বাঙালির সর্বজনীন উৎসবটিকেও খণ্ডিত করা হয়েছে! এমনকি ভাগ হয়ে গেছে রবীন্দ্র-নজরুলের জন্ম ও মৃত্যুতিথিগুলোও! এই বিভাজন দুর্ভাগ্যজনক।
প্রশ্ন হচ্ছে, আমরাও সবাই কি বাঙালির জাতীয় সংস্কৃতি উপলব্ধি লালন করি? বাংলাভাষা, এর সন-তারিখকে কতটা সমাদর করি আমরা? এককালে বাঙালির জীবনজীবিকা বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে; আজ তা নেই। এককালে বাঙালির পারিবারিক ও সামাজিক কাজকর্ম,বিবাহ,জন্ম-মৃত্যুসহ জীবনের সব প্রয়োজনে বাংলা সনতারিখ ছিল অনস্বীকার্য; আজ তা নেই! আমাদের দূর্ভাগ্য, যে নবীনেরা আজ পহেলা বৈশাখের উৎসবে মাতেন তাদের কাছেও বাংলা সনতারিখ নিতান্ত অপ্রয়োজনীয়! ইংরেজির বিশ্ব আধিপত্য অনস্বীকার্য, পরিবর্তন নিশ্চয়ই মেনে নিতে হবে, কিন্তু আপন ভাষা-সংস্কৃতির বিনিময়েও কি?
শুধু তাই নয়, বাঙালি সংস্কৃতির বিরুদ্ধে বিজাতীয় আগ্রাসন আজ নতুন মাত্রা পেয়েছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এসব আগ্রাসন দৃশ্যতই সুপরিকল্পিত। ভাষার বিকৃতি, যা অনেক ক্ষেত্রে অজ্ঞানতারও ফসল, আবার অনেক ক্ষেত্রে সচেতন ভাবেও। অন্যদিকে নতুন করে ধর্মান্ধতার এবং সাম্প্রদায়িকতার এক নব্য সংস্কৃতির জাগরণ দৃশ্যমান হচ্ছে, যাকে কিনা ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে পরাজিত করা হয়েছিল ! ভুললে চলবে না দেশের পাঠ্যপুস্তকে যখন উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর মদদে রবীন্দ্রনাথ, জীবনানন্দ, নজরুলের রচনা কাটছাট করার কিংবা বাদ দেয়ার চেষ্টা মিলে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে উগ্রবাদীরা সফলও হয়, তখন শঙ্কিত হবার কারণ থাকে বৈকি ! অতএব এই আগ্রাসনকে ছোট করে দেখার অবকাশ নেই। রাজনীতিতে অনস্বীকার্যভাবে কৌশল আছে, সমঝোতা আছে, থাকবেও কিন্তু সবাইকে বুঝতে হবে, যে সমঝোতা আত্মসমর্পণের অর্থ হয়ে দাঁড়ায়, তা প্রতিরোধ করা মঙ্গলজনক।
শুধু শিক্ষাক্ষেত্রে নয়, বহু শাখাতেই আজ দৃশ্যমান হচ্ছে পরিকল্পিত সাংস্কৃতিক আগ্রাসন। মৌলবাদ ও ধর্মান্ধতা নতুন মাত্রা লাভ করার দ্বারপ্রান্তে এসেছে। স্বাধীনতাবিরোধী প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী গোপনে, কিছু ক্ষেত্রে প্রকাশ্যেও এন্তার তৎপরতা চালাচ্ছে। এসবের বিপরীতে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষ থেকে, এমন কি সাংস্কৃতিক মহল থেকে সুনির্দিষ্ট বা কার্যকর উদ্যোগ দরকার, যা সব ক্ষেত্রে নেই। ফলে বাঙালির সাংস্কৃতিক শক্তি ক্রমান্বয়ে বিপন্ন হচ্ছে, রাহুগ্রাসে নিপতিত হচ্ছে। দেশের মাটিতে প্রভূত অর্থনৈতিক অগ্রগতির আলো জ্বললেও বিজাতীয় সংস্কৃতির অন্ধকার ঠেকানো যাচ্ছে না। অথচ এ অন্ধকার রোধ করা না গেলে সব আলো নিভে যাবে।
আরও পড়ুন: পহেলা বৈশাখে বন্ধ থাকবে রাজধানীর যেসব সড়ক
রাজনৈতিক অঙ্গনে ধরাশায়ী হলেও ধর্মীয় উগ্রবাদ ও ধর্মান্ধতা নিত্যনতুন চেহারায় আজ এগিয়ে আসছে। যে সাম্প্রদায়িকতার বীজ উপড়ানো হয়েছে বলে অর্ধশতক আগে বাংলাদেশ প্রশান্তি লাভ করেছিল, সেই সাম্প্রদায়িকতা আজ নানা কৌশলে নানা অঙ্গনে বিস্তৃত হচ্ছে। রাজনৈতিক ধর্মবাদীরা সাধারণ মানুষের আবেগ কাজে লাগিয়ে তৃণমূলে প্রভাব বিস্তার করে চলেছে। ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের’ অভিযোগে সাধারণ মানুষ নির্যাতিত হচ্ছে। মনে রাখা দরকার, যে সমাজে ধর্মান্ধ ও উগ্রবাদীরা ধর্মের মাইক্রোফোন নিয়ন্ত্রণ করতে সফল হয় সে সমাজে ধর্মের পবিত্রতা কেবল খর্ব হয় না, তৈরি হয় এমন এক উন্মাদনার ক্ষেত্র, যার কুফল দৃশ্যমান বহু সমাজ ও রাষ্ট্রে। অতএব আত্মতুষ্ট থাকবার সুযোগ নিতান্তই সীমিত।
শুধু এই নয়, উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলো বাঙালির উদার অসাম্প্রদায়িক সংস্কৃতিকে আঘাত হানছে, কখনও সরাসরি। গ্রামগঞ্জের যাত্রাপালার সংস্কৃতি প্রায় বিলুপ্ত হয়েছে। নাটক গানবাজনা নেই বললেই চলে। লোক ঐতিহ্যের উৎসবগুলোতে প্রতিবন্ধক তৈরির অজুহাত সৃষ্টি করা হচ্ছে। ওরা বাংলাদেশের জন্মের ইতিহাস, আইন, সংবিধানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাবার উদাহরণও তৈরি করছে। মাঠ প্রশাসনের উদাসীনতায় সমাজে মৌলবাদী ভীতি ক্রমান্বয়ে বেড়ে চলেছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ধর্মান্ধরা আশকারা পাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বাউলরা আজ ধর্মব্যবসায়ীদের ভয়ে তটস্থ। এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জাতীয় জাগরণের সুবিশাল অঙ্গনেও উগ্র ধর্মবাদীদের তৎপরতা চালাবার ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।
বলা বাহুল্য, হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতিকে ‘বিধর্মীদের সংস্কৃতি’ বলে মিথ্যাচার করে রাজাকার-আল বদরের অনুসারীরা নিত্যনতুন উদ্যোগে সফল হতে চাইছে। বলা বাহুল্য, সব মিলিয়ে ফুলে ফেঁপে উঠছে নিঃশব্দ মৌলবাদ। আমরা সবাই হয়তো এর ব্যাপকতা দেখতে পাইনে, কিন্তু এর ফলাফল কখনো শুভ নয়।
এসব নিয়ে নাগরিক সমাজের উদ্বেগ আছে বটে কিন্তু কার্যকর প্রতিরোধ নেই। কারণ ইঁদুরের গলায় ঘণ্টা বাধবে কে? কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে এই, দুষ্ট ইঁদুর সনাক্ত করে ঘণ্টা বাধার সাহস কাউকে না কাউকে দেখাতে হবে, অন্যথায় জাতির রক্তার্জিত বহু ফসল বিনষ্ঠ হবে। রাষ্ট্রকাঠামোর মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী ধর্মান্ধ মৌলবাদী গোষ্ঠীর আচড় পাকাপোক্ত হলে আখেরে বড় ক্ষতির কারণ হবে। অতএব শিক্ষাধারায় পাঠ্যসূচি থেকে যে কোনো ঘৃণা সঞ্চারি রচনা বাদ দিতে হবে, বিজ্ঞানভিত্তিক ও সমতার সমাজ গড়তে হবে।
দৃশ্যতই ধর্মান্ধ এবং রাজনৈতিক ধর্মবাদীরা রাষ্ট্রক্ষমতার অভ্যন্তরে শিকড় বিস্তার করতে ব্যস্ত। অতএব এ প্রবণতার শিকড় উৎপাটন অত্যাবশ্যকীয় জাতীয় দায়িত্ব। কারণ এ বিপর্যয় বাংলাদেশকে মূলচ্যুত করবে, পতনের দিকে ঠেলে দেবে। আরও উদ্বেগের বিষয় যে, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পরেও রাষ্ট্রকে অন্ধকারের রাহুগ্রাস থেকে মুক্ত করা যায়নি! প্রার্থনা করি, বাঙালির দেশপ্রেম জাগ্রত হোক, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি মাথা উঁচু করে দাঁড়াক। পহেলা বৈশাখের এই নববর্ষে এই আমার প্রার্থনা।
লেখক: মুক্তিযোদ্ধা ও চিন্তাবিদ।
]]>