প্রতিশোধের খেলা রেখে মাঠ ছাড়লেন তারকারা


January 20, 2023 at 07:03AM
from somoynews.tv | RSS Feed

একের পর এক গোল উদযাপন চলছে পিএসজি-সৌদি অলস্টার ম্যাচে। প্রথমে গোল করবে পিএসজি। পরে শোধ করবে সৌদি অলস্টার। ৩ গোলের সমতা পর্যন্ত এমনই চিত্র দেখা গেছে। তবে পিএসজি ৪-৩ গোলে লিড পেলে মাঠ ছাড়েন দুদলের তারকারা। এই মুহূর্তে ৫-৩ গোলে এগিয়ে রয়েছে পিএসজি।

বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) সৌদি আরবের কিং ফাহাদ স্টেডিয়ামে সৌদি অলস্টার দলের মুখোমুখি হয়েছে লিগ ওয়ান চ্যাম্পিয়ন পিএসজি। অলস্টার একাদশে রয়েছেন পর্তুগিজ তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। আর পিএসজিতে খেলছেন নেইমার, মেসি এবং এমবাপ্পেরা। 

৬০ মিনিটে ম্যাচে যখন ৪-৩ গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি, তখনই সৌদি অলস্টার দলে আনা হয় খেলোয়াড়ের পরিবর্তন। সে সময়ে মাঠ থেকে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকেও উঠিয়ে নেয়া হয়। তখন ভক্তদের হতাশ করে পিএসজি দল থেকেও একে একে উঠিয়ে নেয়া হয় লিওনেল মেসি, নেইমার, এমবাপ্পে, আশরাফ হাকিমিসহ সকল খেলোয়াড়কে। তাদের বদলে মাঠে নামানো হয় নতুন খেলোয়াড়।

খেলার শুরুর দিকেই গোল করেছেন মেসি। মাত্র তিন মিনিটের সময়ে তিনি গোলটি করেন সৌদি অলস্টার দলের বিপক্ষে। আর মেসিকে গোল করতে সহায়তা করেছেন ব্রাজিল তারকা নেইমার। বল পেয়ে ডান প্রান্ত দিয়ে রোনালদোদের সীমানায় নিয়ে যান নেইমার। সেখানে ক্ষুধার্ত বাঘের মতো অপেক্ষা করছিলেন মেসি। প্রথম সুযোগটি তাই করলেন না হাতছাড়া। 

সৌদি অলস্টারের গোলরক্ষক মোহাম্মদ আল-ওয়াইসকে ফাঁকি দিয়ে মেসি বল জড়ান জালে। তাতে শুরুতেই ধাক্কা খান পর্তুগিজ তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

তবে মেসির গোলের পাল্টা জবাব দিয়েছেন সৌদি অলস্টারের ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ৩৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে ম্যাচে ফেরান সমতা। পিএসজির গোলরক্ষক কেইলর নাভাস ফাউল করেন রোনালদোকে। যার কারণে দেয়া হয় পেনাল্টি। আর সে সুযোগ কাজে লাগিয়ে ম্যাচে সমতা ফেরান তিনি।

৩৯ মিনিটে অলস্টারের খেলোয়াড় সালেম আল-দাউসারিকে ফাউল করেন হুয়ান বারনেট। তাতে লালকার্ড দেখতে হয় বারনেটকে। সে সময়ে ১০ জনের দলে রূপ নেয় পিএসজি।

৪৩ মিনিটে পিএসজির হয়ে গোল করেন ব্রাজিল তারকা মারকুইনহোস। তাতে ২-১ গোলে লিড পান মেসিরা। পিছিয়ে পড়ে রোনালদো আবারও সুযোগের অপেক্ষা করেন। কিন্তু সুযোগ পেয়ে যান নেইমার। ৪৬ মিনিটে সৌদি অলস্টারের ডি-বক্সে ফাউলের শিকার হয়ে নেইমার পেয়ে যান পেনাল্টি। পেনাল্টি থেকে পিএসজিকে লিড গোলের বদলে হতাশা দেন ব্রাজিল স্ট্রাইকার। তার স্বভাবজাত শট ধরে ফেলেন মোহাম্মদ আল-ওয়াইস।

প্রথমার্ধের শেষ সময়ে ম্যাচে আবারও সমতা ফেরান রোনালদো। ৫০ মিনিটে পিএসজির ডি-বক্সের সামনে থেকে ফ্রি-কিকের সুযোগ পান পর্তুগিজ স্ট্রাইকার। কিন্তু তার নেয়া শট মেসিদের মানব দেয়ালে লেগে ফিরে আসে। সে সময়ে দলকে বিপদমুক্ত করতে ব্যর্থ হন নেইমাররা। তাতে কয়েক পা ঘুরে বল রোনালদোর পায়ে আসলেই জালে জড়াতে ভুল করেননি তিনি। ফলে প্রথমার্ধের বিরতিতে যাওয়ার আগে ২-২ গোলের সমতা আসে ম্যাচে।

প্রথমার্ধের বিরতি শেষে সার্জিও রামোসের গোলে এগিয়ে যায় মেসিরা। তবে কয়েক মিনিট পরেই জাং হায়ুন-সোর গোলে ম্যাচে আবার ফেরে সমতা। তখন গোল সংখ্যা হয় ৩-৩।

৬০ মিনিটে পেনাল্টির সুযোগ পান কিলিয়ান এমবাপ্পে। নেইমারের মতো এ সুযোগটি নষ্ট না করে তিনি পিএসজিকে এনে দেন লিড গোল। তাতে ৪-৩ গোলে এগিয়ে যায় ফরাসি ক্লাবটি। সে সময়ে দুই দলে তারকাদের পরিবর্তন করায় ভক্তদের হতাশ হতে হয়েছে।

তবে হতাশার মাঝেও গোল করেছে মেসিদের দল। এমবাপ্পের বদলে মাঠে নামা হুগো একিতিকে ৭৮ মিনিটে গোল করে ম্যাচে ব্যবধান গড়েন ৫-৩ গোলের। রোনালদোকে ছাড়া সৌদি অলস্টার তখন ২ গোলে পিছিয়ে পড়ে। 

]]>
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url