বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তায় বরাদ্দ বাড়ানোর আহ্বান বিশিষ্টজনদের


June 19, 2022 at 11:35PM
from jagonews24.com | rss Feed

প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় বরাদ্দ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা। তাদের মতে, এ খাতে বর্তমান বরাদ্দ থেকে যুক্তিসঙ্গত পরিমাণ বাড়াতে হবে সরকারকে। বিশেষ করে সম্প্রতি সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ নতুন করে আরও একটি চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে সরকারের উচিত হবে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বন্ধ করা।

রোববার (১৯ জুন) মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিতে (এমসিসিআই) আয়োজিত এক আলোচনা এসব কথা বলেন বিশিষ্টজনেরা। এ আলোচনা যৌথভাগে আয়োজন করে এমসিসিআই ও পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (পিআরআই)। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অর্থনীতিবিদ ড. আব্দুর রাজ্জাক।

পিআরআইয়ের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের ছয় লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জ হবে। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী এবং কৃষি খাতে বরাদ্দ বাড়ানো উচিত। সরকারের উচিত হবে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বন্ধ করে কর ব্যবস্থার সংস্কার করা। নির্ধারণ করা রাজস্ব আদায়ও এনবিআরের জন্য চ্যালেঞ্জ হবে। রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য অর্জনের রাজস্ব ব্যবস্থায় সংস্কার করা উচিত। বিশেষ করে গণবান্ধব ও স্বয়ংক্রিয় রাজস্ব ব্যবস্থা চালু করা, প্রয়োজনীয় আইন সংশোধন করা। যাতে জনগণ হয়রানি ছাড়া কর ও ভ্যাট দিতে পারে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, মূল্যস্ফীতি এখন বৈশ্বিক সমস্যা। সরকার খাদ্য নিরাপত্তার জন্য কৃষিতে ভর্তুকি দিয়ে থাকে।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেন, সরকার অর্থনৈতিক সুবিধার কথা বিবেচনা করে নির্দিষ্ট হারে কর দিয়ে অপ্রদর্শিত অর্থ সাদা করার অনুমতি দিয়েছে।

পিআরআই চেয়ারম্যান ড. জাইদি সাত্তার বলেন, মুদ্রাস্ফীতি যেমন বর্তমানে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, তেমনি ঋণ, ঘাটতি, টেকসই সমস্যাও রয়েছে। আগামী ২০২২-২৩ অর্থ বছরের বাজেটে রপ্তানি বহুমুখীকরণের সীমাবদ্ধতাগুলি সমাধান করতে হবে।

এমসিসিআই সভাপতি মো.সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে বরাদ্দ থেকে সামাজিক সুরক্ষায় বাজেট বাড়ানো উচিত। নির্দিষ্ট পরিমাণ কর প্রদানের মাধ্যমে কোনো প্রশ্ন ছাড়াই কালো টাকা সাদা করার অনুমতি দিচ্ছে সরকার। এ ধরনের কর্মকাণ্ড সৎ উদ্যোক্তা ও নাগরিকদের নিরুৎসাহিত করে।

ইএআর/কেএসআর


Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url