ইথিওপিয়ায় অস্ত্র পৌঁছতে বিমান সহায়তা দিচ্ছে আরব আমিরাত

November 25, 2021 at 10:55PM
from JUGANTOR

ইথিওপিয়ায় অস্ত্র পৌঁছতে বিমান সহায়তা দিচ্ছে আরব আমিরাত
আন্তর্জাতিক
অনলাইন ডেস্কইথিওপিয়ায় ব্যাপক পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম পৌঁছাতে এয়ার ব্রিজ চালু করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা স্যাটেলাইট ইমেজের বরাতে এই সংবাদ প্রকাশ করেছে।
খবরে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত আরব আমিরাত থেকে ইথিওপিয়ায় ৯০টির বেশি ফ্লাইট গেছে। এসবের মধ্যে অনেক ফ্লাইটের উড্ডয়ন এবং অবতরণস্থলের তথ্য ইচ্ছাকৃত গোপন করা হয়েছে।
ইথিওপিয়ার সরকারি বাহিনী ও তাইগ্রে পিপলস লিবারেশন ফ্রন্টের (টিপিএলএফ) মধ্যকার লড়াই তীব্র হচ্ছে।
দেশটিতে লড়াই তীব্রতর হওয়ার প্রেক্ষাপটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার তাদের নাগরিকদের ইথিওপিয়া ত্যাগ করতে বলেছে। ইথিওপিয়ায় চলমান সংঘাতের কূটনৈতিক সমাধান ও অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।
তাইগ্রে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াইরত সরকারি বাহিনীর সঙ্গে দেশটির প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ বুধবার যোগ দিয়েছেন বলে খবর বেরিয়েছে। ইথিওপিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ফানা ব্রডকাস্টিং করপোরেটের প্রতিবেদনে বলা হয়, সাবেক সেনা কর্মকর্তা আবি আহমেদ এখন যুদ্ধক্ষেত্রে অবস্থান করে তাইগ্রে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, দুইটি প্রাইভেট কোম্পানির বিমানে সংযুক্ত আরব আমিরাত ইথিওপিয়ায় ব্যাপক সামরিক অস্ত্র পৌঁছে দিচ্ছে। এর মধ্যে স্পানিশ একটি ফার্ম এক মাসের কম সময়ে আমিরাত থেকে ইথিওপিয়ায় ৫৪টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে। অন্যদিকে ইউক্রেনের একটি ফার্ম দুই মাসে ইথিওপিয়ায় ৩৮টি কার্গো ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।
স্যাটেলাইট ইমেজে দুবাইয়ের সুয়াইহান ঘাঁটি থেকে বিমান উঠে ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবার দক্ষিণে হারার মেদা ঘাঁটিতে যেতে দেখা গেছে। এছাড়া ইথিওপিয়ায় চীনের তৈরি ড্রোনও দেখা গেছে।
তাইগ্রে অঞ্চলের টিপিএলএফ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ২০২০ সালের নভেম্বরে সেখানে সেনা পাঠিয়েছিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ। এই ঘটনার জেরে টিপিএলএফের সঙ্গে সরকারি বাহিনীর লড়াইয়ের সূত্রপাত হয়।
সেনা পাঠানো প্রসঙ্গে তখন আবি আহমেদ বলেছিলেন, কেন্দ্রীয় সেনাদের ওপর টিপিএলএফের হামলার জবাব দিতেই তিনি এই পদক্ষেপ নেন।
কিন্তু চলতি বছরের জুন নাগাদ তাইগ্রে বিদ্রোহীরা অঞ্চলটির বেশির ভাগ এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণ নেয়। তার মধ্যে তাইগ্রের রাজধানী মেকেলেও আছে। এরপর তাইগ্রে বিদ্রোহীরা আরও অগ্রসর হতে শুরু করে।